রামপালের দাউদখালী নদীর সগুনায় গ্রামবাসী নিজেরাই বানালেন সেতু

গ্রামবাসীর প্রচেষ্টায় বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার বাইনতলা ইউনিয়নের সগুনা দাউদখালী নদীর উপর মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে এই কাঠের সেতু ৷ এই নদীর উপর দিয়ে প্রতিদিন   সগুনা, কুমলাই, গিলাতলা, চাকশ্রী সহ অন্তত দশটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন ৷ 

|| অমিত পাল, রামপাল (বাগেরহাট) থেকে ||

রামপালের দাউদখালী নদীর সগুনা অংশে নিজেদের সেতু নিজেরাই বানালেন গ্রামবাসী। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সহায়তায় তৈরী সগুনা কাঠের ব্রিজটি যাতায়াতের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে মঙ্গলবার সকালে। এটির উদ্বোধন করেন বাইনতলা ইউপি চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল্লাহ৷ পাঁচ লাখের বেশী টাকা ব্যায়ে কাঠ এবং লোহার পাত দিয়ে তৈরী ব্রিজটি স্থানীয়দের ভোগান্তি কমিয়েছে অনেকটা৷ এবার এই সেতু দিয়ে যাতায়াত করে প্রায় ৫ হাজার মানুষ ৷

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাইনতলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. হারুন অর রশীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা নরেন্দ্রনাথ পাল, ইউপি সদস্য মাহবুব শেখ, সাংবাদিক অমিত পাল, বিধান চন্দ্র পাল, দেবাশীষ পাল, মোল্লা কালিমুল্লাহ রাজিব, সত্যরঞ্জন পাল, সগুনা ইয়থ ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত পাল প্রমুখ ৷

প্রায় দুই মাস ধরে গ্রামবাসীর প্রচেষ্টায় বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার বাইনতলা ইউনিয়নের সগুনা দাউদখালী নদীর উপর মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে এই কাঠের সেতু ৷ এই নদীর উপর দিয়ে প্রতিদিন   সগুনা, কুমলাই, গিলাতলা, চাকশ্রী সহ অন্তত দশটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন ৷

মোংলা ঘষিয়াখালী চ্যনেল সংলগ্ন শাখা নদী দাউদখালী খননের কারনে ভেঙে ফেলা হয় এখানকার পাকা সেতু ৷ সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো এসব এলাকার মানুষকে ৷ প্রায় দুইশো ফুট দৈর্ঘ্যের এবং ছয় ফুট প্রস্থের সেতু কমিয়েছে নিত্যদিনের এই ভোগান্তি ৷ সেতু দিয়ে চলাচল করছে রিক্সা ভ্যান ও মোটরসাইকেল ৷

স্থানীয়দের যাতায়েতের পথ না রেখেই নদী খনন করছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান৷ তাদের বারবার জানানোর পরেও কোনো কাজ হয়নি ৷ এরপর সহযোগীতায় এগিয়ে আসেন বাইনতলা ইউপি চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল্লাহ ৷ সেতুর দুধারে নির্মাণ করা হয়েছে মাটির সড়কও ৷

এদিকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই বছরের শেষ নাগাদ আমরা এই জায়গাতে পাকা সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করতে পারবো ৷

 

সংবাদ সারাদিন